parallax background

উখিয়া ও টেকনাফে ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম

আশ্রয়ের খোঁজে ইতিমধ্যে যারা এসেছেন, তাদের অর্ধেকেরও বেশি শিশু
September 25, 2017
How you can help the people in Cox’s bazar from Rakhine state of Myanmar
September 26, 2017

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে চলে আসা লাখ লাখ অসহায় মানুষের জন্য সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ব্র্যাক।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ব্র্যাক মূলত নারী ও শিশুদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, টিউবওয়েল এবং শৌচাগার স্থাপনের মাধ্যমে পানি, পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত উপকরণ সরবরাহ ও শিশুবান্ধব পরিসর গড়ে তোলায় কাজ করছে। এই কার্যক্রম চলছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা (আইওএম),  ইউনিসেফ, ডব্লিউএফপি, অসএইড, ডিএফআইডি এবং গ্লোবাল ফান্ডের সমন্বয় ও সহযোগিতায়।

উখিয়া ও টেকনাফের ১০টি আশ্রয়কেন্দ্রে কাজ করছে ব্র্যাকের ১৭০ জন কর্মী। প্রথমদিকে ৫ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করলেও  আজ বৃহস্পতিবার (২১শে সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ব্র্যাক ৫৪টি নলকূপ, ১৫৫টি ল্যাট্রিন স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ১০ হাজার ল্যাট্রিন ও এক হাজার টিউবওয়েল বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে ব্র্যাকের। এ পর্যন্ত ৩৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হলেও গর্ভবতী মায়েদের জন্য আগামী সপ্তাহে ১০টি ম্যাটারনিটি সেন্টার খোলা হবে।

আশ্রয়ের খোঁজে যারা এসেছে তাদের অর্ধেকেরও বেশি শিশু। তাই এদেরকে মানসিক চাপ কমাতে ইতিমধ্যে চার হাজারেরও বেশি শিশুকে খেলাধুলা ও গল্প বলার মাধ্যমে বিনোদনমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে ব্র্যাক। ছয়টি শিশুবান্ধব কেন্দ্র এবং কিশোরী ক্লাব স্থাপনের মাধ্যমে ৪ হাজারেরও বেশি শিশু-কিশোরকে খেলাধুলা, লেখাপড়া ও গল্প বলার মাধ্যমে সহায়তা দান করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে আরও ২০ টি শিশুবান্ধব কেন্দ্র চালু করা হবে। বুধবার পর্যন্ত ৮৬১ জন ডায়রিয়া রোগী, ১৭০ জন নিউমোনিয়া রোগী এবং ১৪৩ জন জ্বরাক্রান্ত রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ডা. মুহাম্মাদ মুসার নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন।