এ পর্যন্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশের কক্সবাজারে প্রবেশ করেছে।

হিসেব করলে দেখা যায়, মানুষের এই সংখ্যা লিভারপুল কিংবা ব্রিস্টলের মতো শহরের মোট জনসংখ্যার সমান। পাহাড় ও জঙ্গলের ভেতর দিয়ে দীর্ঘ এবং বিপৎসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে এসে এই মানুষেরা একদিকে ভীষণ ক্লান্ত এবং অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অপরদিকে তারা ক্ষুধার্ত এবং পরিশ্রান্ত। তারা নিঃস্ব এবং সহায়সম্বলহীন। এখানে এসে তারা বাস করছে টিলার ধারে বা আশেপাশে নরম, ভেজা, কর্দমাক্ত জায়গায় যেখানে তাদের নেই কোন উপযুক্ত আশ্রয়, খাবার, পানি, চিকিৎসা অথবা ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা।


ডোনেট
  • ১৩,৪১,২৮৪ বার চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে
  • ১৭,৬৪১ শিশু দৈনিক আমাদের শিশুবান্ধব কেন্দ্রগুলোতে আসছে
  • ১৪,১৮৩ টি ল্যাট্রিন তৈরি করা হয়েছে
  • ১,৫২৪ টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে

৬,০০,০০০ জন মানুষকে আমরা এখন পর্যন্ত সহায়তা প্রদান করেছি

ইমেইলে আপডেট পান রিপোর্ট দেখুন
youtube-wm4youtube-wm-hl4

Thousands of families are at risk of disease outbreaks, floods, and landslides over the next three months.

এই মুহূর্তে আমরা যা করছি

 
 

৬০টি মোবাইল স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ১০টি স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অস্থায়ী ও নিবন্ধিত আবাসগুলোতে আমরা মাতৃস্বাস্থ্য, সদ্যোজাত শিশু এবং শিশুস্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছি ।

পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আমরা অস্থায়ী ক্যাম্প এর পাশে ল্যাট্রিন এবং নলকূপ স্থাপন করছি।


শিশুবান্ধব কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে শিশুদের যে কোন ধরনের বিপদ বা ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখা এবং বিভিন্ন বিনোদনমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদেরকে স্বাভাবিক মননে ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ: শিশুদের জামাকাপড়, ত্রিপল, স্লিপিং ম্যাট, সোলার ল্যাম্প, বালতি, মগ, পানির পাত্র এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন ইত্যাদি উপকরণ আমরা সরবরাহ করছি।

 
 

বিপন্ন মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিন। আসুন ওদের পাশে দাঁড়াই।


 
 

আপডেট

যারা আমাদের সহযোগিতা করছেন